• ২৪ ভাদ্র ১৪৩৩, রবিবার ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Feature Film

বিনোদুনিয়া

"কথামৃত" এর ঝুলিতে পরপর চারটি পুরস্কার

পরিচালক জিৎ চক্রবর্তী এর ছবি কথামৃত এর ঝুলিতে এবার পরপর চারটি পুরস্কার। গত ১৮ই নভেম্বর মুক্তি পেয়েছে ছবি কথামৃত। মুক্তির পরে বেশ জনপ্রিয়তা পেয়েছে এই ছবি। এবার নানা ফিল্ম ফেস্টিভালে পুরস্কার নিয়ে ঝুলি ভরছে এই ছবি। বেস্ট ফিল্ম, বেস্ট অভিনেতা কৌশিক গাঙ্গুলী, বেস্ট ডিরেক্টর জিৎ চক্রবর্তী, বেস্ট অরিজিনাল স্টোরি ক্যাটাগরিতে মনোনীত হয়েছে এই ছবি। ছবির মূল চরিত্রে অভিনয় করেছেন অভিনেতা কৌশিক গাঙ্গুলী ও অভিনেত্রী অপরাজিতা আঢ্য কে। একজন বোবা (কথা বলতে না পারা) মানুষের চরিত্রে অভিনয় করেছেন কৌশিক গাঙ্গুলী কে। আর তাই একটা ছোট্টো লাল ডাইরিতে লিখে রাখেন নিজের মনের সমস্ত কথা গুলো। সেই ডাইরির নাম কথামৃত। ছবিতে কৌশিক গাঙ্গুলীর স্ত্রীর চরিত্রে দেখা গিয়েছে অভিনেত্রী অপরাজিতা আঢ্য কে।গল্পের প্রেক্ষাপট কিছুটা এমন, নিজেদের পাড়ার আদর্শ স্বামী-স্ত্রী সনাতন (কৌশিক গঙ্গোপাধ্যায়) ও সুলেখা (অপরাজিতা আঢ্য)। ছেলে ঋককে নিয়ে তাঁদের সুখের সংসার। তাঁদের এই ভালোবাসায় ভরা পরিবারকে পছন্দ করে এলাকার সমস্ত মানুষ। সনাতন কথা বলতে পারেন না। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে তাঁর পরিচিত ব্যক্তিরা তাঁর মনের ভাব বুঝতে পারেন। তবে, মনের কথা বলার জন্য় তিনি একটি পকেট ডায়রি সবসময় সঙ্গে রাখেন। সেই ডায়রিটিকেই তিনি কথামৃত নাম দিয়েছেন। ছবিতে আরো দুটি মুখ্য চরিত্রে অভিনয় করছেন বিশ্বনাথ বসু ও অদিতি চ্যাটার্জি। ছবির পরিচালক জিত চক্রবর্ত্তী জানান এটি কৌশিক গাঙ্গুলী ও অপরাজিতা আড্য এর এক অনন্য জীবনের গল্প। মানুষের জীবনে কথা যে কতটা গুরুত্বপূর্ণ সেটা নিয়ে এই ছবি। প্রতিটি সম্পর্কের বুননে কথার গুরুত্ব এই কথামৃত। ছবিটি মুক্তি পেয়েছে জালান প্রোডাকশন এর ব্যানারে প্রযোজক প্রীতম জালান এর প্রযোজনায়।

ডিসেম্বর ২১, ২০২২
বিনোদুনিয়া

সুজিত গুহ ও প্রিয়াঙ্কা ঘোষের ছবিতে পরীর চরিত্রে ঋতুপর্ণা

সুজিত গুহ ও প্রিয়াঙ্কা ঘোষের নতুন ছবি পরী এলো পৃথিবীতে। কলকাতার একটি হোটেলে প্রিয়াঙ্কা ঘোষ এন্টারটেইনমেন্ট এর প্রযোজনায় এই ছবির অভিনেতা ও অভিনেত্রীদের নিয়ে একটি সাংবাদিক সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।এই ছবির কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করছেন টলি কুইন ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত।এছাড়াও অন্যান্য অভিনেতাদের মধ্যে রয়েছেন খরাজ মুখোপাধ্যায়,লিলি চক্রবর্তী,রাজেশ শর্মা,সুমন মুখোপাধ্যায়,লাবনী সরকার,সুমিত গঙ্গোপাধ্যায় প্রমুখ। এই ছবিতেই নবাগত প্রতীক এর অভিষেক হচ্ছে।এই ছবিতে সঙ্গীত পরিচালনা করেছেন সমিধ ও উরভি মুখোপাধ্যায়। ছবিতে চারটে গান থাকার কথা রয়েছে। ছবিটির শুটিং শুরু হওয়ার কথা রয়েছে আগস্ট থেকে।ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত জানালেন,আমি মনে করি পরীরা আছেন। কে না চায় পরীর চরিত্রে অভিনয় করতে! আমি পরীর চরিত্রে অফার পেয়ে দারুন আনন্দিত।

জুন ৩০, ২০২২
বিনোদুনিয়া

মুক্তি পেল ‘রিষ’, বাবার চরিত্রে সৌরভ দাস

প্রীতম মুখোপাধ্যায়ের পরিচালনায় নতুন বাংলা ছবি রিষ। এই ছবির গল্প আবর্তিত হয়েছে ছোট একটি মেয়েকে ঘিরে। আবির ও মন্দিরার কন্যা সন্তান ফিওনার গল্পকেই ছবিতে তুলে ধরেছেন পরিচালক। মেয়েটির বাবার চরিত্রে অভিনয় করেছেন সৌরভ দাস। মায়ের চরিত্রে দেখা যাবে দর্শনা বণিক কে। রূপক চট্টোপাধ্যায়ের প্রযোজনায়, থিঙ্কট্যাঙ্ক এন্টারটেইনমেন্টের ব্যানারে এই ছবিটি।গত ১৩ জুন এই ছবি মুক্তি পাওয়ার কথা থাকলেও বিভিন্ন কারণে মুক্তি পায়নি। অবশেষে ছবিটি আজ মুক্তি পেল। টলিউডে সেভাবে ভুতের ছবি দেখতে পাননা দর্শকরা। রিষ এ অন্যরকম ভূতের ছবি দেখতে পাবেন দর্শকরা। এই ছবিতে সিধু, পটার গান ছবিটিতে আলাদা মাত্রা এনে দিয়েছে।সৌরভ দাস ও দর্শনা বণিক ছাড়াও এই ছবিতে গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে দেখা যাবে চান্দ্রেয়ী ঘোষ, রুমকি চট্টোপাধ্যায়, কিয়ানা মুখোপাধ্যায়, পিয়ালি মুখোপাধ্যায়, অমিতাভ চট্টোপাধ্যায়, স্বাতী মুখোপাধ্যায় প্রমুখ। ছবির গল্প ও চিত্রনাট্য ও সংলাপ লিখেছেন দেবারতি ভৌমিক। চিত্রগ্রাহকের দায়িত্ব সামলেছেন আবির দত্ত।

জুন ২৪, ২০২২
বিনোদুনিয়া

আকাশ মালাকারের প্রথম পূর্ণদৈর্ঘ্যের ছবি প্রথম বারের প্রথম দেখা

আকাশ মালাকার তার প্রথম পূর্ণদৈর্ঘ্যের ছবি প্রথম বারের প্রথম দেখা-র নির্দেশনা করছেন। এই ছবিতে মুখ্য চরিত্রে অভিনয় করেছেন আর্য দাশগুপ্ত ও ঋত্বিকা সেন। এই ছবিরই ট্রেলার ও গান মুক্তি পেল। উপস্থিত ছিলেন ছবির কলাকুশলীরা। ছবির পোস্টার অনুযায়ী আরও একবার মৃত্যু হার মানবে ভালবাসার কাছে। দুই স্কুল পড়ুয়ার ভালোবাসার গল্প খুব সুন্দরভাবে তুলে ধরেছেন পরিচালক।এই ছবিতে আর্যর চরিত্রের নাম বান্টি ঋত্বিকার নাম কুহু। টলিউড এই ছবির মাধ্যমে নতুন জুটি খুঁজে পেয়েছে। গল্প অনুযায়ী বান্টি আর কুহু পড়শি। দুজনের স্কুলও আলাদা। আর্থিক সচ্ছলতাও সমান নয়। এত পার্থক্যের মধ্যেও প্রেমে পড়ে তারা। যদিও এই প্রেম শুরুতে একতরফা। বান্টি প্রথম দেখাতেই ভালবেসে ফেলে কুহুকে। বেশ কিছু দিন কাটার পর কুহুকে সে জানায় সবটা। অবাক কুহু এক কথায় নাকচ করে দেয় বান্টিকে। কিন্তু আস্তে আস্তে ভাল লেগে যায় তারও। প্রেমের রঙিন দিনগুলো যখন চোখের পলকে উড়ে যাচ্ছে তখনই বজ্রপাত। কুহুর ধনী বাবা সব জেনে ঢাল হয়ে দাঁড়ান। বান্টি-কুহু কি এক হতে পারবে? এটার উত্তর পেতে প্রথম বারের প্রথম দেখা তে চোখ রাখতে হবে। পরিচালক তার প্রথম পূর্ণদৈর্ঘ্যর ছবি নিয়ে অনেকটাই আশাবাদী যে ছবিটি দর্শকদের মন ছুঁয়ে যাবে।

জুন ২৩, ২০২২
বিনোদুনিয়া

কলকাতায় 'যুগ যুগ জিও'-র প্রচারে বরুণ-কিয়ারা, শহরবাসীর মধ্যে উন্মাদনা

সিটি অফ জয়কে আরো আনন্দময় করে তুললেন কিয়ারা আডবাণী ও বরুণ ধাওয়ান। ধর্মা প্রোডাকশনের আসন্ন ছবি যুগ যুগ জিওর প্রচারে এসে সকলের মন জিতে নিলেন দুই বলিউড তারকা। আগামী ২৪ জুন বড়পর্দায় মুক্তি পাচ্ছে রাজ মেহেতা পরিচালিত যুগ যুগ জিও।এই ছবিতে মুখ্য চরিত্রে রয়েছেন বরুণ ধাওয়ান ও কিয়ারা আদবানী। সিনেমায় কিয়ারা-বরুণ ছাড়াও গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করেছেন অনিল কাপুর, নিতু কাপুর। দুই বর্ষীয়ান অভিনেতা ও অভিনেত্রীকে দেখা যাবে বরুণ ধাওয়ানের বাবা ও মায়ের ভূমিকায়। ছবির প্রচারের জন্য ইতিমধ্যেই দেশের বিভিন্ন শহরেই পৌঁছে গেছেন তাঁরা। এবার পা রাখলেন তিলোত্তমায়। কলকাতায় পা রেখেই জমজমাট প্রচারের মাঝে প্রাণ খুলে মজা করেছেন কিয়ারা-বরুণ। ভিক্টোরিয়ার সামনে হলুদ ট্যাক্সিতে ভ্রমণ থেকে শুরু করে ফ্লুরিসে ঢুঁ মারা, সবকিছুই করলেন তারা। ধর্মা প্রোডাকশনের তরফে আইটিসি রয়্যাল বেঙ্গলে একটি সাংবাদিক সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছিল। সেখানেই ঘোষণা করা হয়, সিনেমা মুক্তি পাওয়ার তিনদিন আগে থেকেই শুরু হচ্ছে বুকিং। অগ্রিম টিকিট বুকিং করার সুযোগ পাবেন দর্শকরা। এই সিনেমার মূল গল্প সম্পর্কের বোঝাপড়াকে কেন্দ্র করেই। মজার ছলেই জীবনের অনেক জটিল সমস্যা ও তার সমাধানকে তুলে ধরা হয়েছে। সিনেমাটি প্রতিটা মানুষের কাছেই একটা বার্তা পৌঁছে দেবে বলে আশাবাদী নির্মাতারা। এদিন সাংবাদিক সম্মেলনে বেশ খোশমেজাজেই পাওয়া গেল দুই তারকাকে। বরুণ ধাওয়ানের মুখে শোনা গেল কলকাতার জনপ্রিয় মিষ্টি দই এর কথা। কলকাতা যে তার কাছে খুব স্পেশাল সেটাও জানালেন।

জুন ২২, ২০২২
বিনোদুনিয়া

বাবা-মেয়ের গল্প, মুক্তি পেল প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের 'আয় খুকু আয়'

মুক্তি পেল প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের বহু প্রতীক্ষিত ছবি আয় খুকু আয়। পরিচালক সৌভিক কুন্ডু তাঁর ছবি আয় খুকু আয় তে বাবা মেয়ের গল্পকে তুলে ধরেছেন। বাবার চরিত্রে রয়েছেন প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় এবং মেয়ের চরিত্রে রয়েছেন দিতিপ্রিয়া রায়।আয় খুকু আয় সিনেমায় দিতিপ্রিয়ার নাম বুড়ি আর ওর বাবা নির্মল। এই নির্মল আবার প্রসেনজিতের বড় ভক্ত। স্টেজে প্রসেনজিত হয়ে লোকের মনোরঞ্জন করেন। অন্যদিকে একা হাতে মেয়েকে মানুষ করে। তবে মেয়ের সঙ্গে মতের অমিল হয় যখন সে বলে বাবার মতোই স্টেজে উঠে সে পারফর্ম করতে চায়। রাজি হয় না নির্মল। আর এসবের মাঝেই খুকুর সঙ্গে ঘটে যায় দুর্ঘটনা। আর তখনই সাদামাটা নির্মলের খোলস ছেড়ে বেড়িয়ে আসে প্রতিবাদী বাবা। দোষীদের শাস্তি দেওয়াই যার একমাত্র লক্ষ্য। ছোট থেকে বড় সবাই ছবিটির সঙ্গে নিজেদের রিলেট করতে পারবেন।বাবা ও মেয়ের গল্প।#AayKhukuAay trailer out now: https://t.co/gF9bUtmlLw@jeet30 @roy_ditipriya02 @rafiath_rashid @RahulDevBose @ranajoybh @savvygupta @Sauvik_montage @Jeetzfilmworks @GRASSROOTENT @gopalmadnani @amitjumrani pic.twitter.com/srYdNnBFrL Prosenjit Chatterjee (@prosenjitbumba) May 22, 2022আয় খুকু আয় এর প্রিমিয়ারে উপস্থিত ছিলেন ছবির কলাকুশলীরা। এছাড়া হাজির হন পরিচালক রাজ চক্রবর্তী, অভিনেতা জিৎ সহ অন্যান্য কলাকুশলীরা।প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় প্রিমিয়ারে জানালেন, আমার একটা বড় দর্শক যাদের জন্য দীর্ঘদিন ছবি করিনি তারাও ছবিটার সঙ্গে রিলেট করতে পারছে বলে আমার ধারণা। এই নিয়ে আমি প্রচুর কমেন্ট ও পাচ্ছি।

জুন ১৮, ২০২২
বিনোদুনিয়া

মুক্তি পেল নিধনের ট্রেলার ও পোস্টার

নিধনের ট্রেলার এবং পোস্টার লঞ্চ হয়ে গেল কলকাতার একটি হোটেলে। উপস্থিত ছিলেন ছবির অভিনেতা অভিনেত্রী রুপসা এবং ঋতুপর্ণা।অভিষেক ব্যানার্জি এই সিনেমায় অভিনয় করেছেন। কিন্তু ছবিটি মুক্তির আগেই তিনি মারা যান। তাই তাঁকে শ্রদ্ধা জানিয়ে তার জন্য প্রথমে একটি স্মরণ সভা হয়।প্রোগ্রাম শুরুর প্রথমে পোস্টার লঞ্চ করা হয় এবং পরবর্তীতে ট্রেলার দেখানো হয়। ছবির প্রত্যেকে অভিষেক ব্যানার্জি কে নিয়ে তাদের নিজস্ব মতামত জানান এবং ছবিটি করে তাদের কেমন লেগেছে সেটা জানান।এই ছবিতে এক ভিন্ন চরিত্রে দেখা যাবে অভিনেত্রী রুপসা মুখোপাধ্যায়কে। রুপসার চরিত্রের নাম রাধা। যার একটি পা নেই। দুর্ঘটনায় হারিয়ে ফেলে এক পা। জীবনের এক অন্তদন্দ্ব তুলে ধরেছে এই ছবি। ছবির প্রতিটি ছন্দে রয়েছে সাসপেন্স ও রহস্য।পরিচালনার দায়িত্বে রয়েছেন পরিচালক সঞ্জয় দাস। ছবিতে রুপসা মুখোপাধ্যায় এর বিপরীতে অভিনয় করছেন অভিনেতা মিত দাস। এছাড়া ছবিতে অন্যান্য চরিত্রে দেখা যাবে রজতাভ দত্ত, সুপ্রিয় দত্ত, সোমা চক্রবর্তী, ভরত কল প্রমুখ অভিনেতাদের।পরিচালক সঞ্জয় দাস জানিয়েছেন এটি তার দ্বিতীয় ছবি। ছবিটিতে দর্শককে একটি ভিন্ন ঘরানার গল্প উপহার দেওয়া হবে। একটি মার্ডারকে নিয়ে এই গল্প। কিন্ত গল্প যত এগোতে থাকবে তত সাসপেন্স বাড়তে থাকবে। কিন্ত অবশেষে রাধার জীবনের পরিণতি কি হবে? পুরোটাই জানা যাবে নিধন ছবিটি দেখলে।

জুন ০৫, ২০২২
বিনোদুনিয়া

হাস্যরসের ছবি টাকার রং কালো'

মেসার্স প্রশান্ত সাহানা নিবেদিত, বিলাস ফাউন্ডেশন প্রযোজিত, কল্যাণ সরকারের হাস্যকৌতুক ছবি টাকার রং কালো র ট্রেলার ও মিউজিক লঞ্চ হয়ে গেল বেঙ্গল লাউঞ্জে (ভি আই পি রোড)। ট্রেলার ও মিউজিক লঞ্চের এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ছবির কলাকুশলীরা। উপস্থিত ছিলেন ছবির সঙ্গীতশিল্পী কুমার শানু, সঙ্গীত পরিচালক অশোক ভদ্র, ছবির অভিনেতা অমিতাভ ভট্টাচার্য, দেবাশিস গাঙ্গুলী, ছবির পরিচালক কল্যাণ সরকার সহ আরো অনেকে। ছবির বিষয়ে পরিচালক জানালেন, আমাদের এই ছবি সাহিত্যিক সুনীল চক্রবর্তীর প্রখ্যাত সমনামী নাটক থেকে নির্মিত। ছবির চিত্রনাট্য লিখেছেন সুনীল চক্রবর্তীর সুযোগ্য পুত্র পার্থ চক্রবর্তী। এক প্রতিপত্তিশালী অসাধু ব্যবসায়ীর টাকার প্রতি প্রবল লোভ, এবং সেই অর্থ চুরি হওয়াতে তার পারিপার্শ্বিক জুড়ে ঘটে যাওয়া ঘটনা আমাদের এই হাস্যরসের ছবির মূল উপজীব্য। সমাজের অনেক গভীর সত্যি এই ছবি তুলে ধরবে অচিরেই। অন্যদিকে ছবির সঙ্গীতশিল্পী এবং গানের জগতে কিংবদন্তী কুমার শানু জানালেন, অনেক দিন পর বাংলা ছবিতে এত মেলোডিয়াস একটা কাজ করলাম। সঙ্গীত পরিচালক অশোক ভদ্র যে সুর এই ছবির গানে ব্যবহার করেছে তা সকলের মন ছুঁয়ে যাবে। গানে সহজ সুরের মায়া আমাকে সবসময় আকর্ষণ করে। আমার সকলের কাছে অনুরোধ আপনারা এই ছবি অবশ্যই দেখুন, কল্যাণ সরকার বর্তমানে বাংলা ছবির সংকটের সময় একটা দুর্দান্ত ছবি তৈরি করেছে।বাংলা ছবির পাশে থাকুন।

মে ২৭, ২০২২
বিনোদুনিয়া

পরিচালক হিসাবে অভিনেতা কিংশুক গাঙ্গুলির প্রথম ছবি একাধিক পুরস্কারে ভূষিত

বেশ কয়েকবছর ধরে সফলভাবে অভিনয় করার পর এবার প্রথম ছবি নির্মাণ করলেন কিংশুক গাঙ্গুলি। ছবির নাম দ্য হিউম্যানিটি। বর্তমানে পৃথিবীতে মনুষ্যত্ব ও ভালোবাসার বড় অভাব। সেই নিয়েই এই স্বল্পদৈর্ঘ্যের ছবিটি। এই ছবিতে মুখ্য ভূমিকায় অভিনয় করেছেন নবাগতা লিটসি দাস ও দেবজিৎ মুখার্জি। কিংশুক গাঙ্গুলির প্রথম ছবিই দেশ ও বিদেশে ১৯টি পুরস্কারে ভূষিত। খুব শীঘ্রই কোনো ন্যাশনাল ওটিটি প্ল্যাটফর্মে ছবিটি দেখতে পারবেন দর্শকরা। পরিচালক জনতার কথা কে জানালেন, আগামী দিনে শুধু অভিনেতা হিসাবেই নয়, পরিচালক হিসাবেও ভালো কাজ করতে চাই। বিগত ২৫ বছর ধরে অভিনয় করতে করতে মনে হয় নিজে কিছু একটা করি। নিজের চিন্তা ও ভাবনা দিয়ে একটা গল্প প্রতিস্থাপন করি। সেই ভাবনা থেকেই এই কাজ। এক্সপিরিয়েন্স যথেষ্ট ভালো। তবে অনেক চড়াই উৎরাই রয়েছে। গোটা ইউনিটকে চিয়ার আপ করা, একজন অভিভাবক হিসাবে সবার সঙ্গে কথা বলা, মেজাজ রাখা সেটা অনেক বড় এক্সপিরিয়েন্স দিয়েছে। অনেক কিছু শিখিয়েছে।

মে ২৭, ২০২২
বিনোদুনিয়া

প্রচণ্ড দাবদাহ উপেক্ষা করে 'মিশন ওটিপি'-র একটানা শুটিংয়ের অবসান

একটানা শিডিউলে রোদ ঝড় বৃষ্টি গরম উপেক্ষা করে শেষ হল সৌমাল্য দত্ত পরিচালিত নতুন ছবি মিশন ওটিপি এর শুটিং। নাম শুনেই হয়ত কিছুটা আন্দাজ করা যাচ্ছে এই ছবির বিষয় বস্তু। একবিংশ শতাব্দীর অগ্রগতির মূল হাতিয়ার ডিজিটালাইজেসন। সেই ডিজিটালাইজেসন এ অদৃশ্য ঘাতকের হানায় দিশেহারা অধ্যাপক থেকে জনমজুর। শতশত মানুষ এর ফাঁদে পরে নিঃস্ব হচ্ছেন।মিশন ওটিপি সেই সাইবার ক্রাইমের-ই গল্প বলবে। পরিচালক সৌমাল্য দত্ত জনতার কথা কে জানালেন, এই ছবির কাহিনী মূলত গড়ে উঠেছে শহরে ক্রমাগত ঘটে চলা বিভিন্ন সাইবার ক্রাইম, ওটিপি স্ক্যাম কে কেন্দ্র করে। শহরে একের পর এক সাইবার ক্রাইমের শিকার হচ্ছেন সাধারণ মানুষ। অবশেষে মঞ্চে অবতীর্ণ হয় লালবাজার গোয়েন্দা পুলিশের সাইবার ডিপার্টমেন্ট অফিসার সৌম্যজোতী বসু ও তার সহকারী সূর্য সেন। তদন্তের সুবিধার্থে তারা সাহায্য নেয় সাইবার বিশেষজ্ঞ অভিজিৎ চ্যাটার্জি যার বাবা অরুন চ্যাটার্জি ও একদা সাইবার প্রতারনার শিকার। ওদিকে জানা যায় যে এই সাইবার ক্রাইম চক্রের পেছনে আছে রেশমির সিংহ রায় নামের এক ধুরন্ধর মহিলা। শেষমেষ অভিজিৎ এর সাহায্য নিয়ে কি সৌম্যজ্যোতি ও সূর্য এই সাইবার ক্রাইমের চক্র কে ধরতে পারবে? এই নিয়েই টানটান কাহিনী জমে উঠবে।তিনি আরও জানান, মিশন ওটিপি-তে ইন্সপেক্টর সৌম্যজোতি বসুর ভূমিকায় অভিনয় করতে দেখা যাবে বাংলা তথা হিন্দি সিনেমার পরিচিত মুখ অনিন্দ্য পুলক ব্যানার্জী কে, এবং সূর্য সেনের চরিত্রে দেখা যাবে বাংলা সিনেমা ও ওয়েবের পরিচিত মুখ জ্যামী ব্যানার্জী কে। পরিচালক সৌমাল্য দত্ত নিজেও আছেন সাইবার বিশেষজ্ঞ অভিজিৎ চ্যাটার্জির ভূমিকায়, এবং তার বাবা অরুন চ্যাটার্জির ভূমিকায় থাকছেন বাংলা ছবির বর্ষীয়ান অভিনেতা শ্রী রজত গাঙ্গুলি। এছাড়াও অন্যান্য চরিত্রে অভিনয় করেছেন স্বাধীন পান্ডে, আশীষ পাঠক, বিশ্ববিজয় দত্ত চৌধুরী, সৌমিত্র চক্রবর্তী,সুমনা দাসের মতো পরিচিত অভিনেতা রা, সাথে আছে বনশ্রী রায়,সুলগ্না চক্রবর্তী, দীপাঞ্জলী মুখার্জি, বৈশালী চৌধুরী, যুবরাজ বাল্মীকির মতো নবাগতরা। সাথে একটি দূর্দান্ত মজাদার চরিত্রে দেখা যাবে সৌরভ সাহা ও বিখ্যাত ইউটিউবার প্রবীর কুন্ডূ কে।ছবির চিত্রনাট্য ও সংলাপ পরিচালক সৌমাল্য দত্ত নিজেই লিখেছেন, ছবিটির কাহিনী প্রসেনজিৎ পালের। সুভাশিষ গোয়েল ছবির চিত্রগ্রহণ করেছেন। এবং ছবিটি বিগ বূল মোশান পিকচার্স এর ব্যানারে প্রসেনজিৎ পালের প্রযোজনায় নির্মিত হচ্ছে। পরিচালক সৌমাল্য দত্ত-র কথায়, এই ছবির মাধ্যমে জনগণের উদ্দেশ্যে তিনি অনেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় তুলে ধরেছেন, যার ফলে অনেকেই সাইবার প্রতারনার শিকার হতে নিজেকে বাঁচাতে পারবেন। সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী আগষ্ট মাসের মধ্যেই মিশন ওটিপি বড়ো পর্দায় আসতে চলেছে।

মে ২২, ২০২২
বিনোদুনিয়া

সৌমিত্র-স্বাতীহীন 'বেলাশুরু'-র প্রিমিয়ার

গতকাল ছিল পরিচালক শিবপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের জন্মদিন। আর এই বিশেষ দিনেই মুক্তি পেল শিবপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় ও নন্দিতা রায়ের ছবি বেলাশুরু। কলকাতার প্রাচীন ঐতিহ্যবাহী সিনেমাহল বিজলি তে এই ছবির প্রিমিয়ার হয়ে গেল। প্রিমিয়ারে উপস্থিত ছিলেন ছবির কলাকুশলী থেকে শুরু করে অন্যান্য বিশিষ্ট অতিথিরা। প্রিমিয়ারে পরিচালক শিবপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় জানালেন, প্রথমবার উইন্ডোজের কোনো ছবির প্রিমিয়ার মিনার, বিজলি, ছবিঘর-এর বিজলি তে হল। নিজেদের কাছে এটা খুব বড় একটা জায়গা। এখানে অসংখ্য বাংলা সিনেমার প্রিমিয়ার হয়েছে। সেই ঐতিহ্যমণ্ডিত প্রেক্ষাগৃহের সামনে দাঁড়িয়ে কথা বলতে পারাটা আমাদের কাছে পরম প্রাপ্তি। পরিচালক আরও জানান, এই প্রেক্ষাগৃহে সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের অসংখ্য ছবির প্রিমিয়ার হয়েছে। আজ উনার এবং স্বাতী দির অভিনীত শেষ ছবির প্রিমিয়ার এখানে হল। অভিনেতা সুজয় প্রসাদ মুখোপাধ্যায় জানালেন, বেলাশেষের থেকেও বেলাশুরু আমার কাছে অনেক বেশি ইন্টারেস্টিং। বেলাশেষে যেখানে একটা পরিবারের কথা বলে, বেলাশুরু সেখানে একজন প্রবীণ দম্পতির গল্প বলে। প্রেমের ভিত্তিপ্রস্তর যদি বন্ধুত্ব হয়, সেই বন্ধুত্বের আস্বাদন কিভাবে একটা সম্পর্কে আসে এবং সেই সম্পর্কটা সম্পৃক্ত ও সমৃদ্ধ হয় সেটার একটা অপূর্ব চিত্রণ বেলাশুরু তে রয়েছে। অভিনেত্রী মনামী ঘোষ জানালেন, অনেক এক্সপেক্টেশন রয়েছে। আশা করছি দর্শকদের ভালো লাগবে।

মে ২১, ২০২২
বিনোদুনিয়া

কালিম্পং এ জমজমাট "বিদেহী"-র শুটিং

রুদ্র ফিল্ম প্রযোজিত সাহিন আকতার পরিচালিত বিদেহী নামক পূর্ণদৈর্ঘ্যের ছবির শুটিং হয়ে গেল কালিম্পং - এর বিভিন্ন জায়গায়। ছবির চিত্রনাট্য লিখেছেন সুচন্দন বৈদ্য ও সাহিন আকতার। প্রযোজনা করেছেন অবন্তিকা ঘোষ।এই ছবিতে মুখ্য ভূমিকায় অভিনয় করেছেন সায়ন ঘোষ, শ্রেয়া ভট্টাচার্য শুভাশিষ সিকদার এবং গোপাল সরকার। অন্যান্য চরিত্রে দেখা যাবে সোমনাথ মন্ডল, উমা ব্যানার্জি, পাপিয়া পাল, জিৎ সুন্দর, মধ্যমা হালদার ও তৃষাণ ঘোষকে।বিদেহী হল মাতৃত্বের গল্প। দুজন মায়ের মাতৃত্ব নিয়ে গল্পের প্রেক্ষাপট তৈরি করেছেন পরিচালক। কালিম্পং- এ এক দম্পতি সপ্তর্ষি ও মেঘলা সম্পর্কের টানাপোড়ন থেকে নিজের জীবনকে অন্য এক দিশা দিতে ঘুরতে আসে। অনেকদিন থেকে চেষ্টা করেও মেঘলার মা না হতে পারা তাদের জীবনের সবথেকে বড় সমস্যার কারণ। করোনা পরবর্তী সময়ে হোটেল পেতে সমস্যা হয়। একটা হোমস্টের সন্ধান পায় তারা। হোমস্টে মেরামতের জন্য এখন বন্ধ। শুধু দেখাশোনার জন্য এক দম্পতি কানহাইয়া ও মাধুরী থাকে। মাধুরী প্রেগন্যান্ট। সপ্তর্ষি ও মেঘলা সেই হোমস্টেতে এসে থাকতে শুরু করে। তারপর সেখানে যে মাতৃত্ব ও রহস্যের জাল বুনেছেন পরিচালক তা গল্পের আসল বিষয়। পরিচালক সাহিন আকতার তার প্রথম সিনেমা নিয়ে খুব আশাবাদী। তিনি বলেন, কিছু গল্প না বলে দেখে তার স্বাদ অনুভব করতে হয়। আশা করি দর্শকদের খুব ভালো লাগবে।

মে ১৯, ২০২২
বিনোদুনিয়া

"অপরাজিতা" আরও একবার দর্শকদের কাছে

অপরাজিতা - একটি আনস্পোকেন রিলেশনশিপ। পরিচালক রোহন সেনের দ্বিতীয় পূর্ণদৈর্ঘ্যের এই ছবিটি ১১ মার্চ মুক্তি পেয়েছিল। ছবিটি বেশ কিছুদিন হলে চলার পর আরও একবার মুক্তি পাচ্ছে। এই উপলক্ষে দক্ষিণ কলকাতার একটি হলে ছবিটি দেখানো হয়। ছবিটি লিখেছেন ও পরিচালনা করেছেন রোহান সেন, প্রযোজনা করেছেন অমৃতা দে ও কিছুক্ষণ এন্টারটেইনমেন্ট প্রাইভেট লিমিটেড। বাবা এবং মেয়ের মধ্যে একটি জটিল সম্পর্কের চারপাশে আবর্তিত হয়েছে ছবিটি। তুহিনা দাস, শান্তিলাল মুখার্জি, দেবতনু, অমৃতা দে প্রমুখ এই ছবিতে অভিনয় করেছেন। ছবিটি আবার রিলিজ করার কারণ হিসাবে জনতার কথা কে পরিচালক রোহন সেন জানালেন, যারা কলকাতার বাইরে থাকে তারা অনেকে আমাকে পার্সোনালি মেসেজ করে লিখেছিল আমরা ছবিটা কিভাবে দেখবো। কলকাতার বাইরের দর্শকদের কাছেও তো ছবিটা পৌঁছানোর দরকার আছে। রোহন আরও জানিয়েছেন, কলকাতার যে যে হলে ছবিটা এখনও রিলিজ করেনি সেই সেই হলে রিলিজ করারও প্ল্যান করছি।

মে ১৮, ২০২২
বিনোদুনিয়া

এবার সার্কাস গ্রীষ্মকালে, সৌজন্যে "সার্কাসের ঘোড়া"

পরিচালক রাজেশ দত্ত এবং ইপ্সিতা রায়ের পরিচালনায় মুক্তি পেতে চলেছে সার্কাসের ঘোড়া। শীতকালের সার্কাস অনেকেই দেখেছেন কিন্তু গরমকালে বোধহয় সার্কাস দেখার সুযোগ হয়নি। তাই আসতে চলেছে গরমকালে সিনেমা হলে সার্কাসের ঘোড়া।ছবির মুখ্য চরিত্রে অভিনয় করছেন পরাণ বন্দ্যোপাধ্যায়, দীপঙ্কর দে, লিলি চক্রবর্তী, ইন্দ্রাণী হালদার, সাহেব চট্টোপাধ্যায়, দেবলীনা কুমার, গৌরব চট্টোপাধ্যায়, দেবাশিস ঘোষ, সুমিত সমাদ্দার দেবপ্রসাদ হালদার, অনন্যা সেনগুপ্ত সহ অন্যান্যরা।এই সিনেমার প্রথম লুক প্রকাশিত হতে চলেছে এবার। ছবিতে দেখা যাবে এক্স আর্মি অফিসার মানিকবাবু তার স্ত্রী, তার ছেলে এবং মানিকবাবু নাতিক। মানিকবাবু চরিত্রে অভিনয় করছেন পরান বন্দ্যোপাধ্যায় নানান ধাঁচের এই লুক দেখে দর্শকরা সত্যিই অবাক হবেন। সিনেমাটি বাস্তবের ওপর ঘিরেই তৈরি করা হয়েছে যদি বলি বাস্তবের সার্কাস তবে কি খুব ভুল হবে? বুঝতে গেলে সিনেমাটি কে দেখতে হবে। সিনেমাটি প্রযোজনা করেছে শ্রায়ামিত ফিলমস প্রাইভেট লিমিটেডের কর্ণধার দেবাশিস ঘোষ।

মে ১৫, ২০২২
বিনোদুনিয়া

সৃজিত মুখোপাধ্যায়ের 'শেরদিল' ছবির মুক্তির দিন ঘোষিত

ট্রেড অ্যানালিস্ট তরণ আদর্শ তাঁর সোশ্যাল মিডিয়ায় সৃজিত মুখোপাধ্যায়ের আগামী ছবি শেরদিল-এর মুক্তির দিন পোস্ট করলেন। ছবির বেশ কয়েকটি স্টিল পোস্ট করে তিনি লিখেছেন, আগামী ২৪ জুন মুক্তি পাবে শেরদিল। সত্য ঘটনা অবলম্বনে তৈরি এই ছবি পরিচালনা করছেন জাতীয় পুরস্কারজয়ী সৃজিত মুখোপাধ্যায়। এই ছবিতে দেখা যাবে পঙ্কজ ত্রিপাঠি, সায়নী গুপ্তা, নীরজ কবির মতো বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেতাদের। ছবিটি প্রযোজনা করছেন ভূষণ কুমার এবং রিলায়েন্স এন্টারটেনমেন্ট।SHERDIL ON 24 JUNE 2022... #Sherdil: #ThePilibhitSaga - inspired by true events - to release on 24 June 2022... Directed by #NationalAward winner #SrijitMukherji, it stars #PankajTripathi, #NeerajKabi and #SayaniGupta... Produced by #BhushanKumar and #RelianceEntertainment. pic.twitter.com/42FpxhXC7l taran adarsh (@taran_adarsh) May 11, 2022টলিউডের সফল পরিচালক সৃজিত মুখোপাধ্যায় এখন বলিউডে বেশ কিছু কাজ করছেন। যার মধ্যে শেরদিল বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। এই ছবির হাত ধরে প্রথমবার হিন্দি ছবিতে অভিনয় করছেন কলকাতা অভিনেতা সোহম গুহ পট্টদার। এই ছবিতে অভিনয়ের সুযোগ পেয়ে সৃজিত মুখোপাধ্যায়কে ধন্যবাদও জানিয়েছেন তিনি।

মে ১২, ২০২২
বিনোদুনিয়া

জোরকদমে চলছে "সৎ ভূত অদ্ভূত" এর শুটিং

প্রযোজক ববি চৌধুরীর উদ্যোগে পরিচালক প্রীতম সরকারের প্রযোজনায় প্রোডাকশন হাউস অ্যাকন প্রীতি ক্রিয়েশন এলএলপি এর নিবেদিত সৎ ভূত অদ্ভূত সিনেমা আসতে চলেছে। সিনেমায় অভিনয় করছেন পরান বন্দ্যোপাধ্যায়, খরাজ মুখার্জী, পার্থ চক্রবর্তী, প্রসূন গাইন, রাজু মজুমদার, পূজা সরকার, ইভলিনা চক্রবর্তী সহ আরো অনেক পরিচিত মুখ।এই ছবির শুটিং কভারেজ হয়ে গেল টেকনিশিয়ান স্টুডিওতে। উপস্থিত ছিলেন পরাণ বন্দ্যোপাধ্যায়, প্রসূন গাইন, পূজা সরকার, ইভলিনা চক্রবর্তী প্রমুখ।সৎ ভূত অদ্ভূত নিয়ে পরাণ বন্দ্যোপাধ্যায় জানালেন, কাজটা করে ভালো লাগছে। একটা অন্য ধরণের ছবি। এর মধ্যে একটা ব্যঞ্জনা আছে। পদ্ধতিটা অন্য ধরণের। একটা মেসেজ রয়েছে। বিনোদনও রয়েছে। তাছাড়া মানুষ দৈনিক জীবনেরও খোঁজ পাবে।

মে ১১, ২০২২
বিনোদুনিয়া

প্রকাশ্যে "পরিচয় গুপ্ত"-র প্রথম লুক, ভিন্ন চরিত্রে ঋত্বিক চক্রবর্তী

পরিচয় গুপ্ত সিনেমার চরিত্রদের ফার্স্ট লুক প্রকাশ্যে এল। প্রধান চরিত্রে অভিনয় করছেন অভিনেতা ঋত্বিক চক্রবর্তী, ইন্দ্রনীল সেনগুপ্ত, অয়ন্তিকা ব্যানার্জী, জয় সেনগুপ্ত। ছবির পরিচালনার দ্বায়িত্বে রয়েছেন পরিচালক রন রাজ। ছবিতে দেখা যাবে ১৯৫০ সালের ঘটনায় এক জমিদার ও তার প্রিয় বন্ধু আর্কেলজিস্ট এর গল্প।পরিচালক রন রাজ জানান পরিচয় গুপ্ত এই নাম টা থেকে বোঝা যাচ্ছে কোনো কিছুর সিক্রেট আইডেন্টিটি। সমাজের প্রতিটি মানুষের মধ্যে এই সিক্রেট আইডেনটিটি থেকে থাকে। কিন্তু হয়তো পরিবারের চাপে, সমাজের চাপে সেই প্রতিভাকে নিজেরা আটকে রাখে।পরিচয় গুপ্ত ছবিতে দেখা যাবে থ্রিলার এর ছোঁয়া। যার প্রতিটি বাকে রয়েছে টুইস্ট। ছবিতে সঙ্গীতের দায়িত্বে রয়েছেন সঙ্গীত পরিচালক সুভেন্দু অধিকারী। ছবিটি মুক্তি পাবে পূর্ণাঞ্জলী মিডিয়া প্রাইভেট লিমিটেড এর ব্যানারে।তবে ছবির আরো একটু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য হল ছবিতে গান গাইছেন অরিজিৎ সিং। ইতিমধ্যে অরিজিৎ সিং এর সঙ্গে কথা বলা হয়ে গিয়েছেন পরিচালক ও মিউজিক ডিরেক্টর এর। ইতিমধ্যে ছবির অনেকটা পার্ট শ্যুটিং শেষ হয়ে গিয়েছে আউটডোরে।

মে ০৬, ২০২২
বিনোদুনিয়া

মুক্তি পেল 'রাবণ' দর্শকমহলে উন্মাদনা

২০২২ এর ২৯ এপ্রিল তারিখটি বাংলা চলচ্চিত্রের একটা বিশেষ দিন। একই দিনে মুক্তি পেয়েছে টলিউডের দুই সুপারস্টার দেবের কিশমিশ ও জিতের রাবণ। স্বাভাবিকভাবেই দর্শকদের মধ্যে আলাদা উন্মাদনা রয়েছে। তবে শুধু ২৯ এপ্রিল নয়, মে মাসের শুরুতেও মুক্তি পাচ্ছে বাংলা ছবি। যা বাংলা ছবির জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। দক্ষিণ কলকাতার সাউথ সিটি মলে হয়ে গেল রাবণ এর প্রিমিয়ার। প্রিমিয়ারে সুপারস্টার জিতকে দেখা এবং তার সঙ্গে ছবিতে ভিড় জমায় অগুণিত ভক্তরা। উপস্থিত ছিলেন মদন মিত্র, বাবুল সুপ্রিয়, কৌশানী, স্যাভি সহ অন্যান্য তারকারা।রাবণ ছবিটি দুজনের জন্য বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। এই ছবির হাত ধরে প্রথম পূর্ণদৈর্ঘ্যের ছবি নির্মাণ করলেন পরিচালক এম এন রাজ। পাশাপাশি অভিনেত্রী হিসাবে এই ছবিতে অভিষেক হল লহমা ভট্টাচার্যর। জিতের নায়িকা হিসাবে লহমা দর্শকদের মন কাড়লেন।অভিনেত্রী লহমা ভট্টাচার্য জানালেন, দারুণ, অসাধারণ, অনবদ্য। আমি প্রথমদিন দেখলাম ফিল্মটা। আমার খুব ভালো লেগেছে। আশা করি দর্শকদেরও খুব ভালো লাগবে।জিতদার সঙ্গে কাজ করার অভিজ্ঞতা অকল্পনীয়। জিতদার পাশে দাঁড়িয়ে এই কাজটা করার ক্ষেত্রে আমার ঘাড়ে বিশাল একটা রেসপনসিবিলিটি ছিল। জিতদার এত অসাধারণ লুক আর পারফরম্যান্স আমি দেখে মুগ্ধ হয়ে গেছি।

এপ্রিল ৩০, ২০২২
বিনোদুনিয়া

"ভূতে বিশ্বাস করেন?" কেন বললেন পরিচালক অজিতাভ বরাট?

একটি নতুন ভূতের ছবি নিয়ে আসছেন পরিচালক অজিতাভ বরাট। এই ছবির নাম ভূতে বিশ্বাস করেন? ছবির গল্প লিখেছেন অজিতাভ বরাট এবং প্রিয়া ঘোষ।গল্পটা এরকম। রাতে একটা গ্রামের ফাঁকা রাস্তা। রাস্তার চারপাশ ফাঁকা, মাঝে মাঝে কিছু গাছ। রাস্তার মাঝখান দিয়ে ছুটে চলেছে একটা গাড়ি। গাড়িটা কিছুটা যেতে দাড়িয়ে পরে, নেমে আসে একজন মহিলা। মহিলা এদিক ওদিক দেখে, দেখে চারপাশ অন্ধকার, কোনো বাড়িঘর নেই। অগত্যা গাড়ির দিকে ফিরে গাড়িতে উঠতে যাবে, ঠিক এমন সময় চোখে পরে অনেক দূরে একটা আলো। একটা মাটির বাড়ি। পুরো জায়গাটায় ওই একটাই বাড়ি, আশে পাশে আর কোথাও কিছু নেই। গাড়ি থেকে একটা টর্চ বের করে মহিলা এগিয়ে যায় সেই বাড়িটার দিকে। বাড়িটার দিকে এগিয়ে বাড়িটায় নক করতেই বেড়িয়ে আসেন একজন ভদ্রলোক, উস্কো খুস্কো চুল, চোখে চশমা। শ্রীলেখা ও শিলাজিতপেশায় তিনি পরিচালক, ভদ্রলোক ওনাকে ভেতরে আসতে বলেন, এবং আশ্বস্ত করেন যে উনি এখানে সেফ। এরপর থেকেই শুরু হয় গল্পের কাহিনী। এই গল্পে প্রবাল ব্যানার্জির চরিত্রে অভিনয় করছেন অভিনেতা শিলাজিৎ মজুমদার, ও রুশার চরিত্রে অভিনয় করছেন অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্র।চিত্রগ্রহণতিনটি ভূতের গল্পের প্রথমটিতে প্রধান চরিত্র একজন পারিবারিক চিকিৎসকের ভূমিকায় দেখা যাবে অভিনেতা বিশ্বজিৎ চক্রবর্তী কে। পরের গল্পে রয়েছেন অভিনেতা কুশল চক্রবর্তী একজন মনচিকিৎসকের ভূমিকায় এছাড়াও মূখ্য চরিত্রে অভিনয় করছেন অনিন্দ্য পুলক বন্দ্যোপাধ্যায়। ছবির শুটিংয়ের কাজ হয়েছে ৮ই এপ্রিল থেকে এবং তা চলবে ২২ শে মে পর্যন্ত। ছবির শুটিং হবে কলকাতা, বোলপুর ও উত্তরবঙ্গে জুড়ে।

এপ্রিল ১৮, ২০২২
বিনোদুনিয়া

প্রকাশ হল 'আবার কাঞ্চনজঙ্ঘা'-র গান

আবার কাঞ্চনজঙ্ঘা ছবির গান প্রকাশের অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়েছিলেন ছবির অভিনয় ও গানের সঙ্গে জড়িত কলাকুশলীরা। পুরো অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন অভিনেত্রী সায়ন্তনী গুহঠাকুরতা। টলিউডের বর্ষীয়ান অভিনেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রয়াণে তাঁকে স্মরণ করে দু মিনিট নিরবতা পালন করা হয়।আবার কাঞ্চনজঙ্ঘার কাহিনি ও পরিচালনা রাজর্ষি দে-র। পদ্মনাভ দাশগুপ্তের চিত্রনাট্যে পাহাড়ের প্রেক্ষাপটে, সম্পর্কের জটিল রসায়ন ঘিরে এগোয় গল্প। গানগুলি গেয়েছেন রূপঙ্কর বাগচী, অনুপম রায়, জয়তী চক্রবর্তী এবং উজ্জয়িনী। ছবিতে দুটি রবীন্দ্রসঙ্গীত জয়তীর কণ্ঠে দেখো সখা ভুল করে ভালোবেসো না এবং রূপঙ্করের গাওয়া মেঘ বলেছে যাবো যাবো এক আলাদা স্বাদ আনে। অনুপম রায়ের কণ্ঠে টয়ট্রেন গানটি যেন দার্জিলিঙের স্মৃতি, পাহাড়-প্রেম আর ছোটবেলার জিয়নকাঠি। ছবিতে বিশেষ আকর্ষণ দূর্বা সেন বন্দ্যোপাধ্যায়ের লেখা পাহাড়ের গান। এটি শোনা যাবে উজ্জয়িনী মুখার্জীর কণ্ঠে।গান প্রকাশের অনুষ্ঠানে মেঘ বলেছে যাবো যাবো গানটি গাইলেন রূপঙ্কর বাগচী। মিউজিক ডিরেক্টর আশু এদিন জানালেন, পাহাড়কে ঘিরে যেহেতু পুরো কেমিস্ট্রি তাই আমার মিউজিকটাও সেটা নিয়েই। আমার নিজের কম্পোজ করা দুটো গান রয়েছে। একটি টয়ট্রেন ও একটি পাহাড়ের গান। দুটো রবীন্দ্র সঙ্গীত একটা জয়তি দি ও একটা রূপঙ্কর দা গেয়েছেন। ছবিটায় যেভাবে গানগুলো ব্যবহার করা হয়েছে সেইভাবেই আমার অ্যারেঞ্জ করা।

মার্চ ২৬, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

রবিবার মেট্টো চলাচল কোন দিকে কতক্ষণ বন্ধ থাকবে? অসুবিধায় না পড়তে এই খবর আগে পড়ুন

রবিবার বাড়ি থেকে বের হওয়ার আগে মেট্রো রেলের এই ঘোষণা জেনে নিন। ওই দিন কয়েকটি স্টেশনের মধ্যে মেট্রো চলাচল বন্ধ থাকবে। মেট্রো কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, রক্ষণাবেক্ষণের কাজের সুবিধার্থে ১৩.০৯.২০২৬ (রবিবার) ব্লু লাইনের গীতাঞ্জলি এবং কবি নজরুল মেট্রো স্টেশনের মধ্যে যান চলাচল ও বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে। এর ফলে, ওই দিন সকাল ০৯:০০টা থেকে সন্ধ্যা ১৮:৩০টা পর্যন্ত শহীদ ক্ষুদিরাম এবং মহানায়ক উত্তম কুমার স্টেশনের মধ্যে কোনো মেট্রো পরিষেবা পাওয়া যাবে না।তবে, ওই দিন অর্থাৎ ১৩.০৯.২০২৬ (রবিবার) দক্ষিণেশ্বর এবং মহানায়ক উত্তম কুমার মেট্রো স্টেশনের মধ্যে স্বাভাবিক মেট্রো পরিষেবা পাওয়া যাবে। রবিবার ব্লু লাইনের সম্পূর্ণ অংশে, অর্থাৎ দক্ষিণেশ্বর থেকে শহীদ ক্ষুদিরাম মেট্রো স্টেশন পর্যন্ত স্বাভাবিক মেট্রো পরিষেবা সন্ধ্যা ১৮:৩০টার পর (আনুমানিক) পুনরায় চালু হবে। যাত্রীদের এই অসুবিধার জন্য কর্তৃপক্ষ আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করেছেন।

সেপ্টেম্বর ১২, ২০২৬
রাজ্য

পথচারীর মৃত্যুর পর উত্তপ্ত আউসগ্রামের বড়া চৌমাথা, দুর্ঘটনাগ্রস্ত গাড়ির যাত্রীদের উপর হামলা, তান্ডবের অভিযোগ

পথ দুর্ঘটনায় এক চাষির মৃত্যুকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত হয়ে উঠল পূর্ব বর্ধমানের আউশগ্রামের বড়া চৌমাথা। দুর্ঘটনার পর দুর্ঘটনাগ্রস্ত গাড়িতে হামলা চালানোর অভিযোগ উঠল স্থানীয়দের একাংশের বিরুদ্ধে। গাড়ি ভাঙচুরের পাশাপাশি তার ভিতরে থাকা শনিবার দুপুরে বড়া চৌমাথা মোড়ের কাছে দুর্ঘটনার পর দুর্ঘটনাগ্রস্ত গাড়িতে হামলা চালানোর অভিযোগ উঠল স্থানীয়দের একাংশের বিরুদ্ধে। গাড়ি ভাঙচুরের পাশাপাশি তার ভিতরে থাকা তিন পুরুষ যাত্রীকে মারধর এবং এক মহিলা যাত্রীর শ্লীলতাহানির অভিযোগ সামনে এসেছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় আউশগ্রাম ও ভাতার থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে খবর, শনিবার বর্ধমান-বোলপুর NH 114 নম্বর জাতীয় সড়ক ধরে বিহার থেকে কলকাতার দিকে যাচ্ছিল একটি চারচাকা গাড়ি। বড়া চৌমাথা মোড়ের কাছে আচমকাই এক পথচারীকে ধাক্কা দেয় গাড়িটি। দুর্ঘটনার জেরে ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়। জানা গিয়েছে, মৃত ব্যক্তির পরিচয় বিনোদ মল্লিক রায় (৩৮)। তিনি বড়া গ্রামের বাসিন্দা এবং পেশায় চাষি ছিলেন।ঘটনার পরই এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। অভিযোগ, ক্ষুব্ধ জনতার একাংশ দুর্ঘটনাগ্রস্ত গাড়িটিকে ঘিরে ফেলে তাতে ভাঙচুর চালায়। এরপর গাড়ির যাত্রীদের বাইরে বের করে মারধর করা হয় বলেও অভিযোগ। গাড়িতে থাকা মহিলা যাত্রীর সঙ্গে অভব্য আচরণ ও শ্লীলতাহানির অভিযোগও উঠেছে। ঘটনাকে ঘিরে বড়া চৌমাথা মোড় এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা তৈরি হয়।দুর্ঘটনাগ্রস্ত গাড়িটিতে মোট চারজন যাত্রী ছিলেন একজন মহিলা এবং তিনজন পুরুষ। হামলা ও দুর্ঘটনায় তাঁরা আহত হন। তাঁদের উদ্ধার করে প্রথমে গুসকরা প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসার পর শারীরিক অবস্থার কথা বিবেচনা করে সকলকেই বর্ধমান হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।অন্যদিকে, দুর্ঘটনায় মৃত বিনোদ মল্লিক রায়ের দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য বর্ধমান পুলিশ মর্গে পাঠানো হয়েছে। দুর্ঘটনাগ্রস্ত গাড়িটিও আটক করেছে পুলিশ। এই ঘটনার জেরে বর্ধমান-বোলপুর জাতীয় সড়কে দীর্ঘক্ষণ যান চলাচল ব্যাহত হয়। পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার পর ধীরে ধীরে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়। দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ খতিয়ে দেখার পাশাপাশি গাড়ি ভাঙচুর, যাত্রীদের মারধর এবং মহিলা যাত্রীর শ্লীলতাহানির অভিযোগ হয়েছে। দুটি ক্ষেত্রেই পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।

সেপ্টেম্বর ১২, ২০২৬
রাজ্য

মোদীর জন্মদিনে ‘আশীর্বাদ কা দিয়া’, বাংলায় মাসভর জনসংযোগে বিজেপি

১৭ সেপ্টেম্বর থেকে সেপ্টেম্বর-অক্টোবর জুড়ে সেবা সংকল্প অভিযান, বুথে বুথে প্রদীপ প্রজ্বলন থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রচারযুব সমাজ ও সরকারি প্রকল্পের সুবিধাভোগীদের কাছে পৌঁছনোর বিশেষ পরিকল্পনাপ্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর জন্মদিনকে সামনে রেখে বাংলায় কার্যত মাসব্যাপী জনসংযোগ অভিযানে নামতে চলেছে বিজেপি। আগামী ১৭ সেপ্টেম্বর মোদীর জন্মদিন। সেই দিন থেকেই সেপ্টেম্বর ও অক্টোবরজুড়ে রাজ্যজুড়ে চলবে সেবা সংকল্প অভিযান। তবে শুধুমাত্র জন্মদিন উদ্যাপন নয়, এই কর্মসূচির মাধ্যমে দলের সংগঠনকে বুথস্তর পর্যন্ত আরও সক্রিয় করা এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ বাড়ানোই বিজেপির অন্যতম লক্ষ্য বলে দলীয় সূত্রে খবর।এই অভিযানের অন্যতম আকর্ষণ আশীর্বাদ কা দিয়া। পরিকল্পনা অনুযায়ী, প্রতিটি বুথে প্রতিটি পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করে প্রদীপ প্রজ্বলনের আবেদন জানানো হবে। বিজেপির ব্যাখ্যায়, এই প্রদীপ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর দীর্ঘ ২৫ বছরের জনসেবার প্রতি কৃতজ্ঞতা এবং বিকশিত ভারত ২০৪৭-এর লক্ষ্যে দেশবাসীর সম্মিলিত সংকল্পের প্রতীক। মোদীর দীর্ঘায়ু কামনা করেও প্রদীপ জ্বালানোর আবেদন জানানো হবে।প্রাথমিক ভাবে প্রতি বিধানসভা এলাকায় ২৫ হাজার করে প্রদীপ জ্বালানোর পরিকল্পনা নেওয়া হলেও পরে সেই সংখ্যা বাড়িয়ে ৫০ হাজার করা হয়েছে। প্রশাসনের উদ্যোগে সংশ্লিষ্ট বিধায়কদের মাধ্যমে ওই প্রদীপগুলি সাধারণ মানুষের মধ্যে বিতরণের পরিকল্পনাও করা হয়েছে।প্রদীপের দাম প্রতি পিস ৪ টাকা করে নির্ধারণ করা হয়েছে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের তরফে। প্রদীপ জ্বালানোর ক্ষেত্রে মোম ব্যবহারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।বর্তমানে রাজ্যে ২৯৪টি বিধানসভা কেন্দ্র রয়েছে। প্রতিটি কেন্দ্রে ৫০ হাজার করে প্রদীপ জ্বালানো হলে মোট প্রদীপের সংখ্যা দাঁড়াবে প্রায় ১ কোটি ৪৭ লক্ষ। অর্থাৎ, এই কর্মসূচিতে প্রদীপ বাবদ মোট খরচ হতে পারে প্রায় ৫ কোটি ৮৮ লক্ষ টাকা। প্রশাসনিক পরিকল্পনা অনুযায়ী, বিধায়কদের মাধ্যমে প্রদীপ বিতরণ করে নির্দিষ্ট দিনে এই কর্মসূচি বাস্তবায়নের প্রস্তুতি চলছে।সুবিধাভোগীদের বাড়ি বাড়ি পৌঁছবে বিজেপিসেবা সংকল্প অভিযান-এর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশগুলির একটি হতে চলেছে বাড়ি বাড়ি জনসংযোগ। সরকারি বিভিন্ন প্রকল্পের সুবিধাভোগীদের তালিকা বুথ সদস্যদের হাতে তুলে দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। ১৭ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় বুথ স্তরের কর্মীরা সেই তালিকা অনুযায়ী সুবিধাভোগীদের বাড়িতে গিয়ে আশীর্বাদ কা দিয়া প্রজ্বলনের আমন্ত্রণ জানাবেন।শুধু সরাসরি যোগাযোগ নয়, হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমেও সুবিধাভোগীদের কাছে পৌঁছনোর পরিকল্পনা রয়েছে। বিজেপির কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে হিন্দিতে একটি বিশেষ ভিডিও তৈরি করা হচ্ছে। পরে সেটিকে বিভিন্ন রাজ্যে স্থানীয় ভাষায় রূপান্তর করা হবে। বাংলাতেও সেই ভিডিও প্রচার করা হবে। একইসঙ্গে তৈরি হচ্ছে থিম সং এবং সংক্ষিপ্ত তথ্যচিত্র।দলের লক্ষ্য, কেন্দ্রীয় সরকারের বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক প্রকল্প এবং মোদী সরকারের সাফল্যের বার্তা সরাসরি সুবিধাভোগীদের কাছে পৌঁছে দেওয়া। অর্থাৎ, জন্মদিনের কর্মসূচিকে ঘিরে একদিকে যেমন আবেগ ও শুভেচ্ছার আবহ তৈরি করা হবে, অন্যদিকে সরকারি প্রকল্পের মাধ্যমে মানুষের সঙ্গে দলের রাজনৈতিক যোগাযোগও আরও জোরদার করার চেষ্টা থাকবে।নজরে যুব সমাজ, কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়এবারের কর্মসূচিতে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে তরুণ প্রজন্মকে। কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়াদের সঙ্গে সরাসরি মতবিনিময় এবং তাঁদের কাছে বিকশিত ভারত ২০৪৭-এর ভাবনা তুলে ধরার পরিকল্পনা নিয়েছে বিজেপি।সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর দীর্ঘ জনসেবা, তাঁর বিভিন্ন উদ্যোগ এবং বিকশিত ভারতের রূপরেখা নিয়ে তথ্য তুলে ধরা হবে। স্কুলস্তরেও থাকছে অঙ্কন ও বক্তৃতা প্রতিযোগিতা। এই কর্মসূচিতে শিক্ষা দফতরকেও যুক্ত করার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছে দল।এর পাশাপাশি জনসংযোগের অন্যতম মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করা হবে পথনাটক। কমিউনিটি হল থেকে শুরু করে জনবহুল বিভিন্ন এলাকায় পথনাটকের আয়োজন করা হবে। মোদীর ২৫ বছরের জনসেবা, বিভিন্ন কল্যাণমূলক প্রকল্প এবং দেশের পরিবর্তনের দাবিএই বিষয়গুলিই পথনাটকের মূল বক্তব্য হিসেবে তুলে ধরা হবে।সেবা সেতু শিবিরে সরকারি পরিষেবার বার্তাশুধু প্রচার নয়, সরকারি প্রকল্পের সুবিধা পেতে সাধারণ মানুষকে সহায়তা করার জন্য বিধানসভা এলাকার ব্লকস্তরেও সেবা সেতু অভিযান চালানোর পরিকল্পনা রয়েছে। সেখানে সেবা সেতু নামে শিবির করে যোগ্য নাগরিকদের বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পের সুবিধা পাওয়ার ক্ষেত্রে সহযোগিতা করা হবে।যাঁরা এখনও কোনও প্রকল্পের সুবিধাভোগী হিসেবে নথিভুক্ত হননি, তাঁদেরও সংশ্লিষ্ট প্রকল্পে অন্তর্ভুক্ত হওয়ার সুযোগ করে দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। ফলে এই শিবিরগুলিকে জনসংযোগের পাশাপাশি সরকারি পরিষেবা পৌঁছে দেওয়ার মাধ্যম হিসেবেও ব্যবহার করতে চাইছে বিজেপি।পদযাত্রা থেকে স্বাস্থ্য শিবির, থাকছে একাধিক কর্মসূচিসেবা সংকল্প অভিযান-এর তালিকা আরও দীর্ঘ। রাজ্যজুড়ে পদযাত্রা, বাইক র্যালি, স্বাস্থ্য পরীক্ষা শিবির, রক্তদান শিবিরের মতো একাধিক কর্মসূচি আয়োজন করা হবে। অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীদের নিয়েও বিশেষ কর্মসূচির পরিকল্পনা রয়েছে।দলীয় সূত্রের দাবি, রাজ্যে বিজেপি সরকার গঠনের পর মোদীর জন্মদিনকে কেন্দ্র করে দল ও সরকারকে একইসঙ্গে মাঠে নামিয়ে এত দীর্ঘমেয়াদি কর্মসূচি এই প্রথম। ফলে কর্মসূচিকে নিছক জন্মদিন পালন হিসেবে দেখতে নারাজ রাজ্য নেতৃত্ব। বরং সেপ্টেম্বর-অক্টোবরজুড়ে এই কর্মসূচির মাধ্যমে সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করা এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে দলের প্রত্যক্ষ যোগাযোগ বাড়ানোই মূল উদ্দেশ্য।এই গোটা কর্মসূচির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে রাজ্য বিজেপির সাধারণ সম্পাদক লকেট চট্টোপাধ্যায়কে। এখন দেখার, প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিনকে কেন্দ্র করে ঘোষিত এই সেবা সংকল্প অভিযান শেষ পর্যন্ত কতটা বড় রাজনৈতিক জনসংযোগ কর্মসূচির চেহারা নেয় এবং বুথস্তরে বিজেপির সংগঠনকে কতটা সক্রিয় করতে পারে।

সেপ্টেম্বর ১২, ২০২৬
দেশ

এক পাশে পুতিন, অন্য পাশে জিনপিং! মাঝখানে মোদী, এক ছবিতেই চমকে দিল ব্রিকস সম্মেলন

দিল্লিতে শুরু হয়েছে ব্রিকস সম্মেলন। সেই সম্মেলনের মাঝেই এক ফ্রেমে দেখা গেল ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন এবং চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংকে। ছবিতে দুই রাষ্ট্রনেতার মাঝে দাঁড়িয়ে ছিলেন মোদী। তিন দেশের পারস্পরিক সম্পর্কের প্রেক্ষাপটে এই ছবি ঘিরে শুরু হয়েছে জোর আলোচনা।শুক্রবার ভারতে পৌঁছন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। তার পর শনিবার সকালে দীর্ঘ সাত বছর পর ভারতে আসেন চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। দিল্লির ভারত মণ্ডপমে ব্রিকস সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছে। সেখানেই একসঙ্গে দেখা যায় তিন রাষ্ট্রনেতাকে।সামাজিক মাধ্যমে সেই ছবি ভাগ করে নেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। ছবিতে দেখা যায়, পুতিন, মোদী এবং জিনপিং হাতে হাত ধরে দাঁড়িয়ে রয়েছেন। তাঁদের সঙ্গে একই ছবিতে ছিলেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান এবং ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট প্রাবোও সুবিয়ান্তোও।ছবি ভাগ করে প্রধানমন্ত্রী লেখেন, দিল্লিতে শুরু হল ব্রিকস সম্মেলন ২০২৬। ছবিটি প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই তা নিয়ে নানা মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে। বিশেষ করে ভারত, রাশিয়া এবং চিনের পারস্পরিক সম্পর্কের প্রেক্ষাপটে এই মুহূর্তকে তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।শনিবার দুপুরে শুরু হয় ব্রিকস সম্মেলনের মূল অধিবেশন। সম্মেলনের শুরুতেই বিশ্বের উন্নয়নশীল দেশগুলিকে আন্তর্জাতিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে আরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা দেওয়ার পক্ষে সওয়াল করেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁর বক্তব্য, বিশ্বের বড় সিদ্ধান্ত নেওয়ার প্রক্রিয়ায় উন্নয়নশীল দেশগুলির প্রতিনিধিত্ব আরও বাড়ানো প্রয়োজন।মোদী জানান, আন্তর্জাতিক স্তরে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালনের জন্য উন্নয়নশীল দেশগুলির নীতি নির্ধারকদের প্রয়োজনীয় দক্ষতা এবং প্রশিক্ষণ দিতে ভারত প্রস্তুত। বিশ্বের পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে এই দেশগুলির মতামতকে আরও গুরুত্ব দেওয়ার কথাও বলেন তিনি।ব্রিকসের মঞ্চ থেকেই রাষ্ট্রপুঞ্জের নিরাপত্তা পরিষদে সংস্কারের দাবি তোলেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁর বক্তব্য, এই সংস্কারের বিষয়টি আর পিছিয়ে দেওয়া উচিত নয়। নিরাপত্তা পরিষদের পরিবর্তন নিয়ে আলোচনার জন্য একটি নির্দিষ্ট সময়সীমা ঠিক করা প্রয়োজন বলেও জানান তিনি।প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, শুধু আলোচনা করলেই হবে না, সেই আলোচনার সুনির্দিষ্ট ফলাফলও সামনে আসা জরুরি। বিশ্ব ব্যবস্থার পরিবর্তনের জন্য ব্রিকসের সদস্য দেশগুলিকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে বলেও মত তাঁর।আগামী কুড়ি বছরের কথা মাথায় রেখে একটি সুস্পষ্ট পথনকশা তৈরির আহ্বান জানিয়েছেন মোদী। পুতিন ও জিনপিংয়ের সঙ্গে একই ফ্রেমে ধরা পড়ার পর ব্রিকসের মঞ্চ থেকে তাঁর এই বক্তব্য নতুন করে আন্তর্জাতিক মহলে আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে।

সেপ্টেম্বর ১২, ২০২৬
রাজ্য

রোলাহাটুর জঙ্গলে মিলল ২ ইনসাস, ১০৩ রাউন্ড গুলি! আকাশের পুরনো স্কোয়াড ঘিরে তদন্তে বড় মোড়

রোলাহাটু পাহাড়ে দুটি ইনসাস রাইফেল, ১০৩ রাউন্ড গুলি এবং ছটি খালি ম্যাগাজিন উদ্ধারের পর মাওবাদী নেতা অসীম মণ্ডল ওরফে আকাশের পুরনো স্কোয়াডকে ঘিরে তদন্ত আরও জোরদার হয়েছে। অস্ত্রগুলি কোথা থেকে এল, কারা ব্যবহার করত এবং নিরাপত্তাবাহিনীর চাপের সময় সেগুলি কোথায় সরানো হয়েছিল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।সাম্প্রতিক ঝাড়খণ্ড পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, সারান্ডা জঙ্গলে নিরাপত্তাবাহিনীর চাপ বাড়ার পর আকাশ তাঁর দলবল নিয়ে দলমা এলাকার দিকে সরে গিয়েছিলেন। সেই সময় তাঁর সঙ্গে ছজন মাওবাদী থাকার তথ্য সামনে এসেছিল। তাঁদের মধ্যে ছিলেন ১৫ লক্ষ টাকার পুরস্কার ঘোষিত রামপ্রসাদ মার্ডি ওরফে সচিন, ১০ লক্ষ টাকার মীতা ওরফে নয়নতারা, পাঁচ লক্ষ টাকার মঙ্গল মাহাতো, দুলক্ষ টাকার মালতি মুর্মু এবং এক লক্ষ টাকার বুলু ওরফে গৌরী। আকাশের মাথায় এক কোটি টাকা পুরস্কার রয়েছে বলে পুলিশি তথ্য।এর পরেই সেই দলে বড় ভাঙন দেখা দিয়েছে। ১০ সেপ্টেম্বর বাঁকুড়া জেলা পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করেছেন রামপ্রসাদ, তাঁর স্ত্রী মীতা এবং বুলু ওরফে গৌরী। রামপ্রসাদ একটি একে-৪৭ রাইফেলও পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছেন। ঝাড়খণ্ড পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, আত্মসমর্পণের আগে এই তিনজনই আকাশের সঙ্গে দলমা এলাকায় ছিলেন।তাঁদের জেরা করে আকাশের বর্তমান গতিবিধি এবং তাঁর পুরনো স্কোয়াড সম্পর্কে আরও তথ্য জানার চেষ্টা করছেন তদন্তকারীরা। ফলে আগে চিহ্নিত ছজনের মধ্যে আকাশ ছাড়া আরও দুজন মাওবাদী এখন কোথায় রয়েছেন, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। তাঁদের পরিচয় নিয়ে সরকারি ভাবে নিশ্চিত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি। তবে আগের তালিকায় থাকা মঙ্গল মাহাতো ও মালতি মুর্মুর নাম তদন্তের পরিধিতে রয়েছে বলে জানা যাচ্ছে।পূর্ব সিংভূম পুলিশের প্রকাশ করা পোস্টারে আকাশ-সহ ওই ছজনের ছবি এবং তাঁদের মাথায় ঘোষিত পুরস্কারের তথ্য ছিল। তিনজন আত্মসমর্পণ করার পর সেই পুরনো তালিকাই এখন তদন্তকারীদের কাছে আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।অন্য দিকে, রোলাহাটু পাহাড় থেকে অস্ত্র উদ্ধারের ঘটনাতেও বাঁকুড়া, পুরুলিয়া এবং ঝাড়খণ্ডের জঙ্গল এলাকার যোগসূত্র খতিয়ে দেখা হচ্ছে। সারান্ডা থেকে দলমা এবং সেখান থেকে বাংলা-ঝাড়খণ্ড সীমান্তের জঙ্গলপথ পর্যন্ত আকাশের দলের সম্ভাব্য গতিপথ নিয়ে নজরদারি চলছে।বিশেষ করে পুরুলিয়ার বান্দোয়ান-সংলগ্ন জঙ্গল এবং সীমান্তবর্তী এলাকাগুলির উপর নজর রয়েছে তদন্তকারীদের। রোলাহাটুর পুরনো ডাম্পে উদ্ধার হওয়া অস্ত্র কোনও সময়ে আকাশের স্কোয়াড ব্যবহার করেছিল কি না, অথবা নিরাপত্তাবাহিনীর চাপের সময় অস্ত্রগুলি অন্যত্র সরিয়ে রাখা হয়েছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।তবে এখনও পর্যন্ত রোলাহাটু থেকে উদ্ধার হওয়া দুটি ইনসাস সরাসরি আকাশের অস্ত্র বলে চিহ্নিত করার কোনও প্রমাণ নেই বলেই দাবি বাঁকুড়া জেলা পুলিশের। একই ভাবে, আকাশের সঙ্গে বর্তমানে থাকা বলে সন্দেহ করা দুই সদস্যের নামও পুলিশ প্রকাশ করেনি।ফলে তদন্তের কেন্দ্রে এখন তিনটি বিষয়। রোলাহাটুর অস্ত্রভাণ্ডারের উৎস কোথায়, আত্মসমর্পণকারীদের জেরায় আকাশ সম্পর্কে কী তথ্য পাওয়া যাচ্ছে এবং সারান্ডা থেকে দলমা হয়ে পুরুলিয়া-বাঁকুড়া সীমান্তের জঙ্গলপথে আকাশের পুরনো নেটওয়ার্কের কোনও যোগাযোগ এখনও সক্রিয় রয়েছে কি না। এই তিন প্রশ্নের উত্তর খুঁজতেই তদন্ত আরও এগিয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।

সেপ্টেম্বর ১২, ২০২৬
উৎসব

বিশ্বকর্মা পুজোর আগের দিন কেন হয় অরন্ধন? মনসা পুজো, উনুন আর ভিজে ভাতের সঙ্গে জড়িয়ে বাংলার প্রাচীন লোকাচার

অরন্ধন কেন? বিশ্বকর্মা পুজোর সঙ্গে তার সম্পর্কই বা কী? আর কেনই বা এই দিনটিতে দেবী মনসার আরাধনা করা হয়? বাংলার লোকসংস্কৃতির এই পর্বের সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে একাধিক প্রাচীন বিশ্বাস, ঋতু পরিবর্তনের স্মৃতি এবং গ্রামবাংলার হেঁসেলের নিজস্ব সংস্কৃতি।বারো মাসে তেরো পার্বণএই প্রবাদ যেন বাঙালির জীবনযাত্রারই প্রতিচ্ছবি। পুজো-পার্বণের সেই দীর্ঘ তালিকায় বিশ্বকর্মা পুজোর ঠিক আগের দিন বাংলার বহু ঘরে পালিত হয় অরন্ধন বা রান্না পুজো। বিশেষ করে রাঢ়বাংলা ও দক্ষিণবঙ্গের বিস্তীর্ণ এলাকায় এখনও এই লোকাচার যথেষ্ট জনপ্রিয়।অরন্ধনের আক্ষরিক অর্থই হলরান্না না করা। অর্থাৎ যে দিন বিশ্বকর্মা পুজো, সেদিন হেঁসেলে আগুন জ্বালানো হবে না। তার আগের দিনই রান্না করে রাখতে হবে পরের দিনের সমস্ত খাবার। তাই বিশ্বকর্মা পুজোর আগের দিন থেকেই বহু বাঙালি বাড়িতে শুরু হয়ে যায় রীতিমতো রান্নার উৎসব।বিশ্বকর্মা পুজোর সঙ্গে অরন্ধনের যোগ কোথায়?বিশ্বকর্মা পুজো মূলত কারিগর, শিল্পী, শ্রমজীবী মানুষ এবং কর্মযন্ত্রের আরাধনার দিন। কলকারখানা থেকে গ্যারাজ, দোকান থেকে বাড়ির সেলাই মেশিনকর্মের সঙ্গে যুক্ত নানা সরঞ্জাম এই দিনে পুজো করা হয়। ফলে বহু জায়গায় বিশ্বাস করা হয়, পুজোর দিনে কর্মযন্ত্রকে যেমন বিশ্রাম দেওয়া হয়, তেমনই বিশ্রাম দেওয়া হবে হেঁসেলকেও।তবে অরন্ধনের সঙ্গে শুধু বিশ্বকর্মা পুজোর সম্পর্ক নেই। এর গভীরে রয়েছে দেবী মনসার লোকবিশ্বাস। বাংলার লোকাচারে মনসা দেবী মূলত সাপ ও সর্পদংশনের ভয় থেকে রক্ষা করার দেবী হিসেবে পূজিত। বর্ষার শেষভাগে গ্রামবাংলায় সাপের আনাগোনা বেড়ে যেত। ভাদ্রের শেষ ও আশ্বিনের শুরুর এই সময়টিকে তাই এক বিশেষ সন্ধিক্ষণ হিসেবে দেখতেন মানুষ।এই বিশ্বাস থেকেই অরন্ধনের দিনে মনসা দেবীর আরাধনার প্রচলন হয়েছে বলে লোকবিশ্বাস।উনুনই মনসার প্রতীক!অরন্ধনের সঙ্গে জড়িয়ে থাকা সবচেয়ে আকর্ষণীয় লোকবিশ্বাসগুলির একটি হল উনুন।বছরের প্রতিটি দিন যে উনুনে পরিবারের জন্য রান্না হয়, অরন্ধনের দিনে সেই উনুনেই আগুন জ্বলে না। বরং বহু পরিবারে উনুন পরিষ্কার করে তার উপর আলপনা দেওয়া হয়। কোথাও মনসা পাতা, শালুক পাতা বা অন্য পবিত্র পাতা দিয়ে সাজিয়ে ঘট বসানো হয়।লোকবিশ্বাসে, সেই উনুনের গর্তকেই দেবী মনসার প্রতীক হিসেবে মানা হয়। তাই সেদিন উনুনে রান্না না করে তারই সামনে দেবীর পুজো করা হয়।অর্থাৎ অরন্ধন শুধু রান্না না করার দিন নয়, বরং যে আগুন ও উনুন সারা বছর সংসারকে ধারণ করে, তাকে এক দিনের জন্য বিশ্রাম ও সম্মান জানানোর লোকাচারও।অরন্ধনের ভোগে কী থাকে?অরন্ধনের সবচেয়ে বড় আকর্ষণ অবশ্যই তার বহু পদে সাজানো ভোগ ও খাবারের আয়োজন। অঞ্চলভেদে পদ বদলে যায়, পরিবারের রীতিতেও থাকে পার্থক্য। তবে ভাদ্র সংক্রান্তি বা অরন্ধনের দিনে বাংলার ঘরে ঘরে দেখা যায় নানা ধরনের নিরামিষ ও আমিষ পদ।কচুর শাক এই রান্নার অন্যতম পরিচিত পদ। তার সঙ্গে থাকে নানা শাক, বিভিন্ন রকম ভাজা, ডাল, চালতার ডাল, চালতার টক, কুমড়ো ভাজা, নারকেল ভাজা ইত্যাদি।অনেক বাড়িতে থাকে ইলিশ মাছের নানা পদ। কোথাও ইলিশ ভাজা, কোথাও সর্ষে ইলিশ, আবার কোথাও স্থানীয় রীতি অনুযায়ী অন্য মাছের পদও রান্না করা হয়।এর পাশাপাশি থাকতে পারেমুগ ডাল বা মুসুর ডালচালতার ডালকচুর শাকবিভিন্ন শাকভাজাকুমড়ো ভাজানারকেল ভাজাআলু বা অন্যান্য সবজির ভাজাচালতার টকইলিশ মাছ বা অন্যান্য মাছের পদপান্তা বা ভিজে ভাতবিভিন্ন ধরনের বড়া ও স্থানীয় ভাজাভুজিঅঞ্চলভেদে আরও নানা পদ যোগ হয়। কোথাও অরন্ধনের ভোগে থাকে কলাই ডাল, কোথাও কাঁচকলা, আবার কোথাও বিশেষ কোনও পারিবারিক পদ প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে চলে আসছে।ভিজে ভাতের সঙ্গে কেন এত স্মৃতি?অরন্ধনের খাবারের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হল ভিজে ভাত বা পান্তা ভাত। আগের দিন রান্না করা ভাত জলে ভিজিয়ে রেখে পরের দিন খাওয়ার রীতি বাংলার গ্রামীণ খাদ্যসংস্কৃতির সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত।এর সঙ্গে কচুর শাক, বিভিন্ন ভাজা, ডাল, মাছের পদ কিংবা টকসব মিলিয়ে তৈরি হয় একেবারে অন্যরকম স্বাদের খাবার। আধুনিক রান্নাঘরে যার জায়গা ক্রমশ কমছে, অরন্ধনের দিন সেই পুরনো স্বাদই যেন ফিরে আসে।আগের দিন এত রান্না কেন?অরন্ধনের মূল নিয়মই হলপরের দিন রান্না নয়। তাই আগের দিন সকাল থেকেই বাড়ির মহিলারা এবং পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা মিলে শুরু করেন রান্নার আয়োজন।একসঙ্গে অনেক পদ রান্না করে রাখা হয়। তারপর মনসা দেবীকে সেই রান্না নিবেদন করা হয়। পুজো শেষ হলে পরিবারের সদস্যরা সেই খাবার প্রসাদ হিসেবে গ্রহণ করেন।এই কারণেই কোথাও এই উৎসবের নাম রান্না পুজো, কোথাও বুড়ো রান্না, আবার কোথাও আটাশে রান্না বা স্থানীয় অন্য নামে পরিচিত।অরন্ধন আসলে বাংলার হেঁসেলের উৎসবশহুরে জীবনে অরন্ধনের অনেক রীতিই আজ হারিয়ে যেতে বসেছে। গ্যাসের উনুন, ইন্ডাকশন, মাইক্রোওয়েভের যুগে মাটির উনুনে আলপনা দিয়ে পুজো করার দৃশ্য এখন আগের মতো সর্বত্র দেখা যায় না।তবু বাংলার বহু বাড়িতে আজও অরন্ধন মানেই আত্মীয়-স্বজনের সমাগম, পুরনো দিনের রান্না, মাটির উনুন, মনসা দেবীর পুজো এবং পরের দিন রান্নাঘরে আগুন না জ্বালানোর এক অভিনব রীতি।বিশ্বকর্মা পুজোর কর্মযন্ত্র যখন এক দিনের বিশ্রাম পায়, তখন হেঁসেলের উনুনও যেন সেই বিশ্রামের অংশীদার হয়। আর তারই সামনে দেবী মনসার আরাধনা করে বাঙালি মনে রাখে প্রকৃতি, ঋতু পরিবর্তন, সর্পভয় এবং ঘর-সংসারের মঙ্গলকামনার সেই প্রাচীন লোকবিশ্বাসকে।তাই অরন্ধন শুধুমাত্র রান্না না করার দিন নয়। এটি বাংলার লোকসংস্কৃতি, খাদ্যপরম্পরা, দেবী মনসার আরাধনা এবং পারিবারিক ঐতিহ্যকে এক সুতোয় বেঁধে রাখা এক অনন্য উৎসব।

সেপ্টেম্বর ১২, ২০২৬
টুকিটাকি

তেঁতুল শুধু টক নয়, পুষ্টির বড় ভাণ্ডার! শিশু থেকে বয়স্ক, কারা কতটা খাবেন?

তেঁতুলের নাম শুনলেই অনেকের জিভে জল চলে আসে। টক, হালকা মিষ্টি এবং নিজস্ব স্বাদের কারণে ভারতীয় রান্নাঘরে দীর্ঘদিন ধরেই তেঁতুলের বিশেষ জায়গা রয়েছে। ডাল থেকে চাটনি, শরবত থেকে আচার, বিভিন্ন পদে তেঁতুল খাবারের স্বাদ বাড়ায়। তবে শুধু স্বাদ নয়, পুষ্টিগুণের দিক থেকেও এই ফলের গুরুত্ব রয়েছে। পরিমিত পরিমাণে খেলে শিশু থেকে প্রবীণ, বিভিন্ন বয়সের মানুষের সুষম খাদ্যতালিকায় তেঁতুল রাখা যেতে পারে।তেঁতুলে রয়েছে খাদ্যআঁশ, পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম, ফসফরাস, অল্প পরিমাণ ক্যালসিয়াম এবং ভিটামিন বি-গোষ্ঠীর কিছু উপাদান। পাশাপাশি এতে পলিফেনলসহ বিভিন্ন অ্যান্টিঅক্সিডেন্টও রয়েছে। খাদ্যআঁশ অন্ত্রের স্বাভাবিক কার্যকলাপ বজায় রাখতে এবং হজমে সাহায্য করতে পারে। একই কারণে কোষ্ঠকাঠিন্য কমাতেও কিছুটা উপকার মিলতে পারে। অন্যদিকে, পটাশিয়াম শরীরের স্বাভাবিক রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ম্যাগনেশিয়ামসহ বিভিন্ন খনিজ হাড়, পেশি ও স্নায়ুর স্বাভাবিক কার্যকারিতায় প্রয়োজনীয়।আরও পড়ুনঃ এত দিন মুখ বন্ধ, গ্রেফতার হতেই মুখ খুললেন সুমিত? জমি কেলেঙ্কারিতে সামনে আসছে নতুন তথ্যতেঁতুলে থাকা প্রাকৃতিক শর্করা শরীরে দ্রুত শক্তি জোগাতেও সাহায্য করতে পারে। অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীরের কোষকে অক্সিডেটিভ ক্ষতির বিরুদ্ধে সুরক্ষা দিতে ভূমিকা রাখে। তবে তেঁতুল কোনও রোগের ওষুধ বা অলৌকিক খাদ্য নয়। এর উপকার পেতে হলে সামগ্রিক সুষম খাদ্যাভ্যাসের অংশ হিসেবেই এটি খাওয়া উচিত।আরও পড়ুনঃ এক রেজিস্ট্রেশন নম্বর, দুই চিকিৎসক! শিশুমৃত্যুর তদন্তে ভুয়ো ডাক্তারি নথির চাঞ্চল্যকর অভিযোগদুই বছরের বেশি বয়সি শিশুদের অল্প পরিমাণে তেঁতুল দেওয়া যেতে পারে। তেঁতুলের শরবত, টক ডাল, সাম্বর, চাটনি, সালাদ কিংবা তেঁতুল ভাত, বিভিন্নভাবেই এটি খাবারে যোগ করা সম্ভব। তবে অতিরিক্ত তেঁতুল খেলে কারও কারও অম্বল বা পেটের অস্বস্তি হতে পারে। যাঁদের তীব্র অ্যাসিডিটি বা পাকস্থলীর আলসারের সমস্যা রয়েছে, তাঁদের সতর্ক থাকা প্রয়োজন। খুব টক খাবার ঘন ঘন খেলে দাঁতের এনামেল ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কাও থাকে। তাই তেঁতুলের ক্ষেত্রে মূল কথা, স্বাদ ও পুষ্টি পেতে পরিমিত খাওয়াই সবচেয়ে ভালো

সেপ্টেম্বর ১২, ২০২৬
কলকাতা

পুজোয় আমিষ নিয়ে বাগেশ্বরের মন্তব্য, এবার পাল্টা মুখ্যমন্ত্রী! বাঙালিদের নিয়ে কী বললেন?

পুজোর মরসুমে আমিষ ও নিরামিষ খাবার নিয়ে বিতর্ক তুঙ্গে। বাঙালির খাদ্যাভ্যাস নিয়ে স্বঘোষিত ধর্মগুরু বাগেশ্বর বাবার মন্তব্যের পর থেকেই এই নিয়ে জোর চর্চা চলছে। তার মধ্যেই শনিবার গণেশ পুজোর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের মঞ্চ থেকে বিষয়টি নিয়ে মুখ খুললেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর বক্তব্য, বাঙালি জানে কখন নিরামিষ খেয়ে পুষ্পাঞ্জলি দিতে হয়, আবার মাছ দিয়ে প্রসাদ দেওয়ার রীতিও বাঙালির অজানা নয়।কয়েক দিন আগে হাওড়ার লিলুয়ায় এসেছিলেন ধীরেন্দ্র শাস্ত্রী, যিনি বাগেশ্বর বাবা নামে পরিচিত। সেখানেই বাঙালির খাদ্যাভ্যাস নিয়ে একাধিক মন্তব্য করেন তিনি। তাঁর বক্তব্য ছিল, অনেকে পেঁয়াজ খান, মদ্যপান করেন, আবার নিজেদের ধার্মিকও বলেন। এমনকি পুজোর সময়ে আমিষ খাওয়া বন্ধ করার আবেদনও জানান তিনি। আমিষ খান এমন মানুষদের ধর্মীয় পরিচয় নিয়েও প্রশ্ন তোলেন বাগেশ্বর বাবা। পাখণ্ডী শব্দ ব্যবহার করে তাঁদের ভেকধারী বলেও মন্তব্য করেন তিনি।বাগেশ্বর বাবার এই বক্তব্য ঘিরেই শুরু হয় তীব্র বিতর্ক। অনেকেই প্রশ্ন তোলেন, একজন মানুষের ব্যক্তিগত খাদ্যাভ্যাস নিয়ে অন্য কেউ কীভাবে নির্দেশ দিতে পারেন। বিতর্কের মধ্যেই স্কটল্যান্ডের গ্লাসগো থেকে নিজের বক্তব্যের ব্যাখ্যাও দেন বাগেশ্বর বাবা। তাঁর দাবি, তাঁর বক্তব্যের ভুল ব্যাখ্যা করা হয়েছে। তিনি বলেন, পুজোয় আমিষ খেতে বারণ করার তিনি কেউ নন। তাঁর আপত্তি বলিপ্রথা নিয়ে। তবে ধর্মীয় দৃষ্টিভঙ্গি থেকে মণ্ডপে মাছ-মাংস খেতে তিনি বারণ করেছেন বলেও জানান।এই পরিস্থিতিতেই শনিবার বিষয়টি নিয়ে মুখ খুললেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। গণেশ পুজোর অনুষ্ঠানের মঞ্চে তিনি বলেন, কয়েক দিন আগে ধীরেন্দ্র শাস্ত্রী লিলুয়ায় এসেছিলেন এবং তাঁকে দেখতে বহু মানুষের সমাগম হয়েছিল। সেই প্রসঙ্গেই বাঙালির খাদ্যাভ্যাসের কথা তুলে ধরেন মুখ্যমন্ত্রী।তিনি বলেন, বাঙালি জানে কখন নিরামিষ খেয়ে পুষ্পাঞ্জলি দিতে হয়। আবার মাছ দিয়ে প্রসাদ দেওয়ার রীতিও বাঙালির জানা। অর্থাৎ পুজোর সময়ে বাঙালির ধর্মীয় আচারের সঙ্গে খাদ্যাভ্যাসের যে নিজস্ব রীতি রয়েছে, সেই দিকটিই তুলে ধরেন তিনি।বাগেশ্বর বাবার আমিষ সংক্রান্ত মন্তব্য নিয়ে রাজনৈতিক মহলেও বিতর্ক তৈরি হয়েছে। যদিও বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য, লকেট চট্টোপাধ্যায় এবং অগ্নিমিত্রা পাল বাগেশ্বর বাবার বক্তব্যকে সমর্থন করেননি বলেই জানা গিয়েছে। ফলে পুজোর মরসুমে আমিষ ও নিরামিষ খাবার নিয়ে তৈরি হওয়া বিতর্ক এখন ধর্মীয় মত, বাঙালির সংস্কৃতি এবং ব্যক্তিগত খাদ্যাভ্যাসএই তিনটি বিষয়কে ঘিরেই আরও জোরালো হয়েছে।

সেপ্টেম্বর ১২, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal